
ঘোষণা NTA-র
দেশজুড়ে NEET পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগের জেরে বাতিল হওয়া পরীক্ষার পুনরায় দিন ঘোষণা করল National Testing Agency (NTA)। নতুন সূচি অনুযায়ী আগামী ২১ জুন, রবিবার ফের অনুষ্ঠিত হবে NEET পরীক্ষা।
সম্প্রতি পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষাকেন্দ্রে অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পরই বিষয়টি নিয়ে চাপ বাড়তে থাকে। এরপর তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে পূর্বের পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র।
NTA জানিয়েছে, এবার আরও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারি বাড়ানো, ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ এবং বিশেষ টিম মোতায়েনের মতো একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে যাতে কোনওরকম অনিয়ম না ঘটে।
এই সিদ্ধান্তে বহু পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল। যদিও আবার পরীক্ষা হওয়ায় অনেক পড়ুয়ার উপর মানসিক চাপও বেড়েছে বলে মত শিক্ষামহলের একাংশের।
এদিকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। শিক্ষাব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।NEET পুনঃপরীক্ষা নিয়ে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য, ২১ জুন ফের পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা
প্রশ্নফাঁস ও একাধিক অনিয়মের অভিযোগে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে NEET পরীক্ষা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অবশেষে পুনরায় পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিল National Testing Agency (NTA)। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২১ জুন, রবিবার ফের অনুষ্ঠিত হবে NEET পরীক্ষা।
সূত্রের খবর, চলতি বছরের পরীক্ষার পর থেকেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষাকেন্দ্রে দুর্বল নিরাপত্তা এবং অসাধু চক্রের সক্রিয়তার অভিযোগ সামনে আসে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয় বেশ কিছু প্রশ্নপত্রের ছবি, যা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ে। এরপরই তদন্তে নামে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তদন্তকারী সংস্থার প্রাথমিক রিপোর্টে বেশ কিছু অসঙ্গতির ইঙ্গিত মেলার পর কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়তে থাকে। ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিক্ষা সংগঠন পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি তোলে। অবশেষে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে আগের পরীক্ষা বাতিল করে নতুন তারিখ ঘোষণা করে NTA।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবার পরীক্ষায় থাকবে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে CCTV নজরদারি, বায়োমেট্রিক যাচাই, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং ডিজিটাল মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি প্রশ্নপত্র পরিবহণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাতেও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। বিরোধীদের অভিযোগ, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষায় এমন অনিয়ম শিক্ষাব্যবস্থার উপর বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে। কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েও সরব হয়েছে একাধিক রাজনৈতিক দল।
অন্যদিকে, পুনরায় পরীক্ষা ঘোষণার ফলে বহু পরীক্ষার্থী মানসিক চাপে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়ার পর আবার নতুন করে পরীক্ষার জন্য তৈরি হতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। যদিও অনেকের মত, স্বচ্ছ ও সঠিক মূল্যায়নের জন্য পুনঃপরীক্ষাই ছিল একমাত্র উপায়।
শিক্ষাবিদদের একাংশের মতে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে পরীক্ষাব্যবস্থায় আরও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার এবং কঠোর নজরদারি অত্যন্ত জরুরি। এখন সবার নজর ২১ জুনের পরীক্ষার দিকে।
