
শুভেন্দু অধিকারীর ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা: নতুন প্রশাসনিক দলের বিস্তারিত তথ্য
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে গঠিত হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-এর নেতৃত্বাধীন সরকার। সরকার গঠনের পর প্রথমে ছোট আকারের মন্ত্রিসভা শপথ নিলেও পরবর্তীতে বৃহৎ মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হয়, যেখানে মোট ৩৫ জন নতুন মন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্ত্রিসভার প্রধান মুখ
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনের সর্বোচ্চ দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, সংগঠক, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক এবং বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হিসেবে প্রশাসনিক সংস্কার, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়ন এবং অবকাঠামো সম্প্রসারণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের তালিকা
মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন—
ক্যাবিনেট মন্ত্রী
- স্বপন দাশগুপ্ত
- অর্জুন সিং
- মনোজ ওরাঁও
- জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়
- তাপস রায়
- দীপক বর্মন
- শঙ্কর ঘোষ
- কল্যাণ চক্রবর্তী
- অরূপ কুমার দাস
- অজয় কুমার পোদ্দার
- শারদ্বত মুখোপাধ্যায়
- দুর্জয় কুমার মণ্ডল
- গৌরীশঙ্কর ঘোষ
স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী
- ইন্দ্রনীল খাঁ
- মালতী রাভা রায়
- রাজেশ মাহাতো
প্রতিমন্ত্রী
- জুয়েল মুর্মু
- হরেকৃষ্ণ বেরা
- আনন্দময় বর্মন
- অশোক দিন্দা
- বিশাল লামা
- দিবাকর ঘরামী
- শান্তনু প্রামাণিক
- পূর্ণিমা চক্রবর্তী
- মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র
- উমেশ রায়
- কৌশিক চৌধুরী
- ভাস্কর ভট্টাচার্য
- কলিতা মাঝি
- বিরাজ বিশ্বাস
- দীপঙ্কর জানা
- সুমনা সরকার
- অমিয় কিস্কু
- গার্গী দাস ঘোষ
মুখ্যমন্ত্রী: শুভেন্দু অধিকারী
সরকারের প্রধান লক্ষ্য
নতুন সরকার রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্কার, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সীমান্ত নিরাপত্তা, কৃষি উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার আধুনিকীকরণকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই একাধিক জনমুখী কর্মসূচি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের রূপরেখা ঘোষণা করেছেন।
রাজনৈতিক গুরুত্ব
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে আঞ্চলিক ভারসাম্য, জাতিগত ও সামাজিক প্রতিনিধিত্ব এবং সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করেছে। অভিজ্ঞ নেতা ও নতুন প্রজন্মের মুখদের একসঙ্গে নিয়ে গঠিত এই মন্ত্রিসভা আগামী পাঁচ বছরের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দিকনির্দেশ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
