
রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে “জনতার দরবার” কর্মসূচি। বৃহস্পতিবার প্রথম দিনের এই বিশেষ উদ্যোগে প্রায় ৫০ জন সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষজন তাঁদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও প্রশাসনিক সমস্যার কথা সরাসরি তুলে ধরেন তাঁর সামনে।
সূত্রের খবর, কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা এবং তাঁদের অভিযোগ দ্রুত প্রশাসনের নজরে আনা। শিক্ষা, চাকরি, স্বাস্থ্য পরিষেবা, রাস্তা-ঘাট, স্থানীয় দুর্নীতি সহ একাধিক বিষয় উঠে আসে এই জনতার দরবারে। উপস্থিত বহু মানুষ তাঁদের সমস্যার সমাধানের আশ্বাসও পান বলে জানা গিয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, “সাধারণ মানুষের কথা শোনাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। দীর্ঘদিন ধরে বহু মানুষ প্রশাসনিক অবহেলার শিকার হচ্ছেন। তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই এই উদ্যোগ।” তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে জেলার বিভিন্ন প্রান্তেও এই ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লোকসভা ভোটের আগে জনসংযোগ বাড়াতেই এই কর্মসূচিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব। সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে এবং তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে “জনতার দরবার” বড় ভূমিকা নিতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, শাসকদলের তরফে এই কর্মসূচিকে রাজনৈতিক প্রচারের অংশ বলেই কটাক্ষ করা হয়েছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থে নেওয়া একটি উদ্যোগ এবং ভবিষ্যতেও তা চলবে।
প্রথম দিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত মানুষের ভিড় এবং সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
