
নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, সকাল ১১টা থেকে সোনারপুরে বাইরের লোক ঢুকিয়েছে বিজেপি। তাঁদের বলা হয়েছিল, তিনি গেলেই হামলা করতে হবে। সোনারপুরবাসী তাঁকে স্বাগতই জানিয়েছেন।
সোনারপুরের মানুষ তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয়েরা কেউ হামলায় জড়িত নন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আগে থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওই এলাকায় লোক ঢুকিয়েছে বিজেপি। শারীরিক হেনস্থা নিয়ে এমনই অভিযোগ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের পুলিশ-প্রশাসনকেও। নিজের ভাঙা চশমা দেখিয়ে বললেন, ‘‘মেরে ফেলতে চেয়েছিল আমাকে।’’
নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে বসে অভিষেক জানান, তাঁর উপরে যে আক্রমণ হবে, বাইরে থেকে লোক ঢোকানো হচ্ছে, সেই খবর ছিল। কিন্তু পুলিশ-প্রশাসনের কেউ পদক্ষেপ করেননি। এমনকি, হামলা-অশান্তির সময় পুলিশ-প্রশাসনের কাউকে দেখা যায়নি। ফোন-মেসেজ করেও তাঁদের পাওয়া যায়নি। নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে বসে যখন তিনি ওই অভিযোগ করছেন, তখন বাইরে একদল নারী-পুরুষ অভিষেকের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন। তাঁকে বেরিয়ে আসতে বলছেন। অভিষেককে জলের বোতল এগিয়ে দেন নিহ তৃণমূল কর্মীর মা। অভিষেক তাঁকে ওই বোতল ঘুরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘‘আগে আপনি খেয়ে নিন।’’ওই বাড়িতে বসে অভিষেক বলেন, ‘‘রাজ্য প্রশাসন কে চালাচ্ছে? তৃণমূল না বিজেপি? রাজ্য পুলিশকে ফোন, মেসেজ করার পরেও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। আমরা বার বার বলেছি, ওখানে বাইরের লোক ঢুকেছে। কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?’’ তিনি বলেন, ‘‘শাসকদল বা সরকার এ ভাবে দায় এড়াতে পারে না। আমি তো এখানে প্রশাসনকে জানিয়ে এসেছি। আমি কী করতে এসেছি এখানে? একজন মৃত সহকর্মীর বাড়িতে এসেছি।’’
